স্মৃতিমালা

স্মৃতিমালা

– মোঃ তৌহিদুর রহমান


প্রারম্ভিকা

বন্ধুত্বের মধুর স্মৃতি, বিশ্ববিদ্যালয়ের দিনগুলো, একসাথে কাটানো আনন্দঘন মুহূর্তগুলোকে স্মৃতিমালায় বাঁধার চেষ্টায় এই কবিতা রচিত। এখানে বন্ধুরা, হাসি-খুশি, ছোট ছোট খুনসুটি, এবং একে অপরের সঙ্গে ভাগ করা স্মৃতিগুলো জীবন্তভাবে ফুটে উঠেছে। বন্ধুরা যারা তখন একসাথে ছিল, তাদের নামও স্মৃতির পাতায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যেন সময়ের সাথে সেগুলো হারিয়ে না যায়।

এই স্মৃতিমালা শুধু কবিতা নয়, এটি একটি বন্ধুত্বের চিরস্থায়ী স্মারক, যা আপনাদেরকে বারবার সেই মুহূর্তগুলো মনে করাবে।


কবিতা: স্মৃতিমালা

আজ এ রাঙা প্রভাতে
নির্ঝরময় কল্লোল, কাকলি ছন্দে
জীবনানন্দে নিত্য বিহঙ্গে
ফুটিলো যে ফুল!

সেকি পারুল, মহাবুল নাকি মনিরুল, নজরুল?
নাকি নাদিম-আবীর, রিপন-মমি, সোহাগ-মিলি, আর রেখা-আমিনুল?

লিপি তুমি কি আদর্শ লিপি?
নাকি সুদূর অতীতে লেখা কোনো তাম্রলিপি!
মজিবুর থেকে জিল্লুর!
সেতু গড়িল যে মহাকারিগর!

তাকে আজ দিতে হবে যে বর!
প্রশান্ত সেঁচিয়া মুক্তা আনিলো যাঁরা!
হিমশৈল, তুহিন ভেদিয়া রতন কুড়ালো যাঁরা!
কোথা সে বীর জাহাঙ্গীর!
নির্ভীক রফিক আর সিদ্দিক!

ছুটে আয় সবে হারানো ভূগোল-ভবে!
করতে মহামিলন!
সবাইকে দিচ্ছে যে দাওয়াত…
মায়া লতিফ সাখাওয়াত!

পারভীন, নাজনিন!
স্মৃতির তুলিতে দাগ দিয়ে যায়
জেসমিন, নাসরিন!

মৌচাক মধু নয় সেতো মহিদুল মধু!
দিল যার সাচ্চা কথায় যাদু!

ভুলিয়া গিয়াছো বেমালুম সব!…
ওরে আত্মভোলা!
মনে করিয়া দেখো আজি বারেক…
মোস্তাক, মোস্তফা, তারেক…
চেষ্টা করে তুমি দেখতেই পারো…
মারতে সম্পর্কের শেষ পেরেক।

মেহেদীর আলপনা!
আজ হারিয়ে যেতে নেই মানা সুলতানা!

একগুচ্ছ গোলাপ হাতে শ্রাবণীর অনিলে,
ফিল্ডওয়ার্ক বন্ধু রোজির কবলে!
হারালো যে দিশা!
রিপু, রিতা, সঞ্চিতা!
লিটন মোদের করেছে আপন!
শিপন করেছে পর!
গর্বে ভরে উঠে বুক – বন্ধু ওমর ফারুক!

অনেক হয়েছে বাপু!
মির্জা, সেলিম, তপু!
ভেঙে ফেলো অভিমান-সুলতান!
তোমার অপেক্ষায় যে বিমান!

ওরে মুন্সেফ!
তোদের কথা কে কহিবে স্রেফ!
কঠিন এই ধরাধাম!
চিন্তা নাই আছি বন্ধুরা…
আমরা তৌহিদ, জাহিদ আর নিজাম!

সময় যে বয়ে যায়…
আসাদ, আনিস, আরিফ…
আছিস কে কোথায়?…

দিন তো ফুরালো, সন্ধ্যা এলো…
ক্ষমা করো মহাদেব!…
ক্লান্ত শরীরে ভুলিয়া গেছিলাম…
তোমারি অবয়েব!…

জানিনা কখন নিদ্রা দেবী
চোখে দিয়াছে ঘুম

স্বপ্নে দেখি জ্বালিয়ে দীপা
স্মিত মুখে সুস্মিতা আর কুইন, কুমকুম
রুশী রয়েছে অনেক খুশিতে
শিমুল তুলছে ফুল

কিসের উষ্মা সুষমা তোমার
প্রেম করে কি এমন করেছো ভুল?
ধারেনি কারো ধার
কোরেনি কো পরোয়ার

সে কি নাসির, আসলাম, সারোয়ার?


বন্ধুদের প্রতিক্রিয়া

  • নাদিম: “Awesome awesome awesome @Touhid Rahman…”
  • মুজিবুর: “কার এত সাহস যে তোহিদের এই স্মরণীয় কবিতার সমালোচনা করে? ধন্যবাদ বন্ধু, চালিয়ে যা…“
  • রিপন: “Keep it up touhid…”
  • লিপি: “Super Excellent @Touhid…”
  • মহাদেব: “বন্ধু তৌহিদ, কয়েকবার পড়লাম, সবাইকে আরেকবার মনে করার চেষ্টা করলাম। ধন্যবাদ তোকে।”
  • সোহাগ: “তৌহিদ মামুর বেঠা, কয়দিন ঘুমোসনি। এত চমৎকার একখানা কবিতা লিখেছিস-বন্ধু, ধন্যবাদ না দিয়ে কি পারা যায়।”
  • লিপি: “আগামী বই মেলায় তৌহিদের কবিতার বই চাই @তৌহিদ…”
  • আমিনুল: “বন্ধু তৌহিদ খুব সুন্দর হয়েছে। ধন্যবাদ এ অনবদ্য লেখনীর জন্য। জেসমিন, কুমকুম, শিমুল, কুইন আমাদের সংগে ছিলো।”
  • সেতু: “সুন্দর লিখেছ বন্ধু, পরবর্তী সংস্করণের দিকে তাকিয়ে রইলাম।”
  • সোনিয়া: “অসাধারণ কবিতা, লেখা চালিয়ে যাও বন্ধু @Touhidur Rahman…”
  • সুলতানা: “দারুণ হয়েছে তৌহিদ। তোর ছোঁয়া লেগেছে।”
  • নাসরিন: “তৌহিদ এত গুলো বন্ধুর কথা মনে রাখার জন্য ধন্যবাদ। সবাই যে একটু কবি-কবি ভাবের জন্য আমি খুশি। ভুলে গেছো তৌহিদ। নাসির, আসলাম, সুস্মিতা, কুইন, আরো কিছু… পরে গুনিয়া বলবো।”
  • মহাবুল: “All are epic poet. Unique @Touhidur Rahaman.”
  • মুজিবুর: “সঞ্চিতা একবার থাকলেই হলো বন্ধু, দুইটাকেই বুঝব। আমাদের নাসির ছিল চারজন, নজরুল ছিল চারজন, ধন্যবাদ @সঞ্চিতা।”
  • লিটন: “লালপুরের মেয়ে আমাদের বন্ধু রিপুকে নিয়ে রিপনের অনেক স্মৃতি আজ হঠাৎ মনে হলো তৌহিদের কবিতা পড়ে, আরও মনে পড়লো বিস্মৃতি হয়ে যাওয়া নামগুলো! সত্যি আমরা অনেককেই এখনো ক্যাচ করতে পারিনি এই গ্রুপে।”

বি:দ্র: অনিচ্ছাকৃতভাবে কোনো বন্ধুর নাম বাদ পড়লে আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী। 😃😁😍


Tags: No tags

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *